দুই নারী ধর্ষণ; গণপিটুনিতে ‘কবিরাজ’ নিহত

বিশ্ব

নিজেকে ‘কবিরাজ’ বলে পরিচয় দিয়ে চিকিৎসার কথা বলে দু’জন নারীকে ধর্ষণ করেছিলেন এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় গ্রামবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। এরপর তারা সেই ‘কবিরাজ’কে গণপিটুনি দিয়েছেন। এতে নিহত হয়েছেন ওই ব্যক্তি। গত বৃহস্পতিবার এমনটাই ঘটেছে ভারতের আসাম রাজ্যে।

জানা গেছে, আসামের কার্বি আংলং জেলার সিতোই আদং গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। আর গণপিটুনিতে অংশ নেওয়া গ্রামবাসীদের বেশিরভাগই ছিলেন নারী।

পুলিশ বলছে, ওই ‘কবিরাজ’-এর নাম হুসেন আলি। বয়স ৪৫। তার বাড়ি হোজাই জেলার রাইকাটায়। গত ১ জুলাই চিকিৎসার অজুহাতে সিতোই আদম গ্রামে গিয়েছিলেন হুসেন আলি। ওই গ্রামে চোখের দৃষ্টি হারানো এক নারীকে দেখার পর তিনি জানান, ৩ জুলাই আবার আসবেন তিনি। সেই মোতাবেক সেদিন চিকিৎ‌সার নামে ওই নারীর নাকে কিছু শুকিয়ে অর্ধচেতন করেন তাকে। এরপর তাকে ধর্ষণ করেন। শুধু তাই নয়, ওই নারীর আত্মীয় ১৬ বছর বয়সী এক মেয়েকেও ধর্ষণ করেন হুসেন আলি।

এরপর এ ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার গ্রামবাসী ঘিরে ফেলে তাকে। এর একটি বড় অংশ ছিলেন নারী। গণপিটুনিতে ‘কবিরাজ’ মারা যান।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *